নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টা থেকে তিস্তার বিভিন্ন পয়েন্টে এক যৌথ অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে পাথর তোলায় ব্যবহৃত ১৬টি নৌকা ও ৪টি খননযন্ত্র (ড্রেজার) ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করেছে প্রশাসনের টাস্কফোর্স।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরানুজ্জামান।
স্থনীয়দের উদ্বেগ ও ক্ষতির চিত্র:
নদীতীরের বাসিন্দারা জানান, এলাকার একটি প্রভাবশালী চক্র দীর্ঘদিন ধরে নৌকা ও ড্রেজার মেশিনের সাহায্যে নদী থেকে বেপরোয়াভাবে পাথর উত্তোলন করে আসছিল। এতে নদীর তলদেশে বড় ও বিপজ্জনক গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নদীপারের বসতবাড়ি ও ফসলি জমিতে ভাঙনের ঝুঁকি দ্বিগুণ বেড়ে গেছে।
প্রশাসনের কঠোর হুশিয়ারি:
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমরানুজ্জামান জানান, "তিস্তার ইকোসিস্টেম ও নদীপাড় রক্ষা করতে এই অভিযান চালানো হয়েছে। জব্দকৃত সরঞ্জামগুলো ঘটনাস্থলেই ধ্বংস করা হয়েছে। অবৈধ পাথর উত্তোলনের পেছনে যুক্ত সিন্ডিকেটের তালিকা তৈরির কাজ চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে পরিচালিত এই সমন্বিত অভিযানে রংপুর বিজিবির মেজর জুলকার নাঈন এবং ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী সরকারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি দল সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।