রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার জনাব মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ মহোদয়ের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে পদায়ন নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরপিএমপি)। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁর পদায়নটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ও পূর্বনির্ধারিত আদেশ; মাছুয়াপাড়ায় সংঘটিত একই পরিবারের চারজনের হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট ২০২৬) আরপিএমপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ঘটনার পূর্বেই সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি:
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়, কিছু গণমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে যে মাছুয়াপাড়ার ৪ হত্যাকাণ্ডের জেরে বা তাঁকে সরিয়ে দিয়ে অন্য কর্মকর্তা পদায়ন করা হয়েছে, যা তথ্যগতভাবে সঠিক নয়।
প্রকৃতপক্ষে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী গত ১২ আগস্ট ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দে তাঁকে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে পদায়নের আদেশ দেওয়া হয়। আর মাছুয়াপাড়ার নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটে এর প্রায় ১০ দিন পর, অর্থাৎ ২২ আগস্ট। ফলে হত্যাকাণ্ডের কারণে তাঁকে সরিয়ে দেওয়ার খবরের কোনো ভিত্তি নেই।
তদন্তে সুদৃঢ় নেতৃত্বের সাফল্য দাবি:
আরপিএমপি মিডিয়া সেল আরও জানায়, দায়িত্ব থাকাকালীন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ মহোদয়ের সুদৃঢ় নেতৃত্ব ও তদারকির কারণে চাঞ্চল্যকর মাছুয়াপাড়া হত্যাকাণ্ডের তদন্তে দ্রুত অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। ঘটনার পরপরই আলামত জব্দসহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত স্বর্ণালংকার উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান:
বিজ্ঞপ্তিতে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ অনুরোধ জানিয়ে বলে, পূর্বনির্ধারিত সরকারি সিদ্ধান্তকে হত্যাকাণ্ডের মতো সংবেদনশীল ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা থেকে বিরত থাকা উচিত। জনআস্থা অক্ষুণ্ণ রাখতে গণমাধ্যমগুলোকে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য পরিবেশনের আহ্বান জানিয়েছে আরপিএমপি।